ন্যাশনাল ডেস্ক, ০৮ জুন ২০২৬: বন্ধুত্বের অছিলায় নাবালিকাকে যৌন নির্যাতন। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে আসামের তিনসুকিয়া জেলার মার্গেরিটা এলাকায়। বন্ধুত্বের অছিলায় ২৮ বছর বয়সী এক যুবক ১১ বছর বয়সী এক নাবালিকাকে যৌন নির্যাতন করেছে। পুলিশ দ্রুত পদক্ষেপ করে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে এবং তার বিরুদ্ধে শিশু যৌন নির্যাতন প্রতিরোধ আইন (পকসো)-এর অধীনে মামলা দায়ের করে তদন্ত জোরদার করেছে।
এই প্রসঙ্গে পুলিশ জানিয়েছে যে, গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্তের নাম রাজু খান, সে মার্গেরিটার বাসিন্দা। পরিবারের দায়ের করা অভিযোগ অনুযায়ী, অপরাধটি করার আগে অভিযুক্ত আক্রান্ত কিশোরীর বাবার সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলে। যার মাধ্যমে সে তাদের বাড়িতে ঘন ঘন আসা-যাওয়া শুরু করে। এই সময় নাবালিকার বাবা-মায়ের বিশ্বাস অর্জনের জন্য সে তাদের টাকা ও দামী উপহার দিত। এতে তার ওপর নাবালিকার বাবা-মায়ের বিশ্বাস বাড়তেই থাকে। এই সুযোগকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে অভিযুক্ত সিধিং আগবান্ধা গ্রামে অবস্থিত তাদের বাড়ির ভেতরেই নাবালিকাকে তার লালসার শিকার বানায়।
এই জঘন্য কাজ বেশ কিছুদিন ধরেই চলছিল। সম্প্রতি নাবালিকার স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটলে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে এবং বাড়ির মহিলারা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। প্রতিবেশীরা পরিবারটিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে মেয়েটির ওপর নির্যাতনের কথা জানতে পারেন। এরপর গ্রামবাসীরা অভিযুক্ত রাজু খানকে ধরে মারধর করে মার্গারিটা পুলিশের হাতে তুলে দেন।
মার্গারিটা থানার একজন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্তা ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন এবং বলেছেন যে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে পকসো আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তিনি ভুক্তভোগীর পরিবারকে এও আশ্বাস দিয়েছেন যে, অভিযুক্ত পুলিশি হেফাজতে রয়েছে এবং তদন্ত দ্রুত সম্পন্ন করা হবে।
পুলিশ কর্তা আরও জানান যে, অভিযুক্ত পুলিশি হেফাজতে রয়েছে এবং তদন্ত দ্রুত সম্পন্ন করার আশ্বাস দেন। পুলিশ প্রশাসন তদন্ত দ্রুত করার আশ্বাস দিয়েছে। অভিযুক্ত কীভাবে পরিবারটির এত ঘনিষ্ঠ হল এবং এই নির্যাতনে অন্য কেউ জড়িত ছিল কিনা বা এ বিষয়ে অবগত ছিল কিনা, তা নির্ধারণ করতে একটি পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তও করা হবে। এদিকে, স্থানীয় সামাজিক সংগঠনগুলো অভিযুক্তের কঠোরতম শাস্তির দাবী জানিয়েছে।

No comments:
Post a Comment