ন্যাশনাল ডেস্ক, ০৫ জুন ২০২৬: ভারতে অবৈধভাবে বসবাসকারী বিদেশি নাগরিক ও অনুপ্রবেশকারীদের নির্বাসন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই প্রশ্ন উঠেছে। এরই মধ্যে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করেছে, যেকোনও বিদেশি নাগরিককে নির্বাসিত করার জন্য একটি নির্ধারিত আইনি ও দ্বিপাক্ষিক প্রক্রিয়া রয়েছে এবং তা অনুসরণ করা হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন যে, সংশ্লিষ্ট দেশ তাদের নাগরিকত্ব নিশ্চিত করার পরেই নির্বাসন প্রক্রিয়া শুরু করা হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, "ভারতে অবৈধভাবে বসবাসকারী বাংলাদেশি নাগরিকসহ বিদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে আমাদের আইন রয়েছে এবং সেই আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাদের নির্বাসনের বিষয়ে একটি দ্বিপাক্ষিক ব্যবস্থা রয়েছে। আমরা এই ধরনের মামলাগুলো বাংলাদেশে পাঠাই যাতে তারা তাদের জাতীয়তা শনাক্ত করতে পারে। এই নিশ্চিতকরণের পরেই আমরা এই ধরনের বিদেশি নাগরিকদের নির্বাসন প্রক্রিয়া নিয়ে অগ্রসর হই।"
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়ালের কথায়, 'বাংলাদেশে এ ধরনের বেশ কয়েকটি আপিল বিচারাধীন রয়েছে এবং আমরা আশা করি যে এগুলো দ্রুততম সময়ে নিষ্পত্তি করা হবে, যাতে ভারতে অবৈধভাবে বসবাসরত ব্যক্তিদের নির্বাসন কার্যকর ও নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করা যায়।'
এছাড়াও, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন যে, নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সম্প্রতি ভারতে এসেছেন এবং আমাদের দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।
রণধীর জয়সওয়াল আরও বলেন যে, নেপালের সঙ্গে আমাদের একটি বিস্তৃত কর্মসূচি রয়েছে, যার মধ্যে উন্নয়ন সহযোগিতা থেকে শুরু করে বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্ক পর্যন্ত অন্তর্ভুক্ত। দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হবে। তবে, আমাদের পক্ষ থেকে আমরা নেপালের সঙ্গে আমাদের অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করতে আগ্রহী।
পাশাপাশি, এসইউ-৫৭ সম্পর্কে জানতে চাইলে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, "রাশিয়া ও ভারতের মধ্যে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা সম্পর্ক রয়েছে এবং তা বহু বছর ধরে বিদ্যমান। এই কর্মসূচি সম্পর্কে তথ্য আপনারা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পেতে পারেন।"

No comments:
Post a Comment