কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পরেই চুরমার হয়ে গিয়েছে তৃণমূল। জোড়া ফুল এখন দুই শিবিরে বিভক্ত। দলের ৮০ শতাংশ বিধায়ক বিদ্রোহী ঋতব্রতর শিবিরে যোগ দিয়েছেন। কিন্তু সেই শিবিরেও কী ফাটল ধরেছে! সোমবার বিধানসভার অধিবেশন শেষে চাঞ্চল্যকর দাবী করলেন বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। তিনি দাবী করেন, বিদ্রোহী অনেক বিধায়কই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে মানছেন না। কেন মানছেন না, তারও যুক্তি দেন বিধায়ক কুণাল।
বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবির পর ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, সন্দীপন সাহারা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। ধীরে ধীরে তাঁদের সঙ্গে ৬০ জনের বেশি বিধায়ক যোগ দেন। সেই দলে কলকাতা বন্দরের বিধায়ক ফিরহাদ হাকিমও রয়েছেন। বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হয়েছেন ঋতব্রত। কিন্তু, বিদ্রোহী তৃণমূল বিধায়কদের অনেকেই আর ঋতব্রতকে মানছেন না বলে দাবী কুণালের।
এদিন তিনি বলেন, “পুলিশ ডিস্টার্ব করবে না জানিয়ে নিয়ে গিয়েছিল। তৃণমূলের রক্ত যাদের গায়ে রয়েছে, তাঁরা আর ঋতব্রতকে মানছে না। ক’দিন পরেই দেখতে পাবেন।” এদিন গুন্ডাদমন বিলের উল্লেখ করে কুণাল বলেন, “কালীঘাট শিবির স্ট্র্যাটেজিক কারণে ভোটদান থেকে বিরত ছিলাম। পরে দেখা যায়, ২০ জন বিরত। অনেকেই ঋতব্রতকে মানছে না।”
শামস ইকবালের জামিন পাওয়া নিয়েও এদিন কটাক্ষ করেন কুণাল ঘোষ। তৃণমূল বিধায়ক বলেন, “শামস ইকবাল সেটিং শিবিরে, তাই ছাড়া পায়। অন্যদিকে কারও কারও ক্ষেত্রে দিনের পর দিন জামিন হয় না। ‘বাঁচতে চাই বিজেপি তাই’ এটা এখন বিরোধী শিবিরের অনেকের স্লোগান। অবৈধ সম্পত্তি বাঁচাতে চাই, বিজেপি তাই।”

No comments:
Post a Comment