'একটু তো লজ্জা পান', ইউসুফ পাঠানকে তীব্র আক্রমণে মহুয়া! তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদেরও খোলা চ্যালেঞ্জ - Press Card News

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Monday, June 8, 2026

'একটু তো লজ্জা পান', ইউসুফ পাঠানকে তীব্র আক্রমণে মহুয়া! তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদেরও খোলা চ্যালেঞ্জ


কলকাতা: বিধায়কদের পর বিদ্রোহী হয়েছেন তৃণমূলের অনেক সাংসদও। এবারে দলের বিদ্রোহী সাংসদদের তীব্র আক্রমণ করলেন তৃণমূলের আরেক সাংসদ মহুয়া মৈত্র। বিজেপি-নেতৃত্বাধীন এনডিএ-কে সমর্থন জানানোর জন্য তৃণমূল নেত্রী তাঁদের সমালোচনা করেন। তিনি তাদের বিরুদ্ধে নির্বাচনী রায়ের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ তোলেন এবং পদত্যাগ করে পুনরায় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার চ্যালেঞ্জ জানান। 


মহুয়া মৈত্র তৃণমূল সাংসদ ইউসুফ পাঠানকেও নিশানা করেন এবং তাঁর দিল্লী সফরের খবর নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। সমাজমাধ্যমে তিনি পোস্ট করেন, "আর ইউসুফ পাঠান, অমিত শাহ ফোন করেছেন বলেই কি আপনি দিল্লীতে ছুটে যাচ্ছেন? কিছুটা সাহস দেখান। আপনি ভারতের জন্য খেলেছেন। আমাদের জেলা আপনাকে বিপুল ব্যবধানে ভোট দিয়েছে। একটু তো লজ্জা পান এবং মেরুদণ্ড দেখান।"



বিদ্রোহী সাংসদকে নিশানা করে মহুয়া মৈত্র সমাজমাধ্যমে লিখেছেন, "২০২৪ সালে, সাংসদরা তৃণমূলের টিকিটে জিতেছিলেন। জনগণের রায় এনডিএ-র পক্ষে ছিল না। সমস্ত লোভী, স্বার্থপর বিশ্বাসঘাতক, যাদের প্যান্ট হলুদ, তাঁরা দয়া করে এখন বিজেপিতে যোগ দিন। অনুগ্রহ করে আপনাদের আসন থেকে পদত্যাগ করুন এবং বিজেপির টিকিটে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুন। দেখা যাক আপনারা কত বড় হিরো।"



সোমবার তৃণমূল কংগ্রেসের ভাঙন আরও গভীর হয়। এদিন দলের কিছু বিদ্রোহী সাংসদ দিল্লীতে বিজেপির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও ছিলেন। এমনকি তৃণমূল সুপ্রিমো তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই সময় দিল্লীতে বসে। তিনি বিজেপির বিরুদ্ধে বিরোধী ঐক্যকে শক্তিশালী করার জন্য ইন্ডিয়া জোটের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে ব্যস্ত ছিলেন। তৃণমূলের রাজ্যসভা সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায় দল এবং রাজ্যসভা দুই থেকেই পদত্যাগ করেছেন। 


এর মাত্র কয়েক ঘন্টার পরেই বারাসতের তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদ লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি দিয়েছেন। এনডিএ -কে তাঁরা সমর্থন করবে বলেও জানান। আর সংসদীয় দলের মধ্যে ক্রমবর্ধমান অসন্তোষের মধ্যে তৃণমূলের ভাঙনের জল্পনায় একপ্রকার সিলমোহর পড়ল বলেই মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ। এমনকি সংগঠনের ওপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিয়ন্ত্রণ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad