কলকাতা: বিধানসভায় সই জাল বিতর্ক নিয়ে তুঙ্গে রাজ্য রাজনীতি। এরই মাঝে ২ বিধায়ককে বহিষ্কার করল তৃণমূল। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাকে বহিষ্কার করল তৃণমূল কংগ্রেস। দল বিরোধী কাজের অভিযোগে বহিষ্কার করা হয়েছে ২ তৃণমূল বিধায়ককে, দলীয় সূত্রে খবর এমনটাই। এন্টালির তৃণমূল বিধায়ক সন্দীপন সাহা। উলুবেড়িয়া পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল সূত্রে খবর, দলের সিদ্ধান্তের কথা স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসুকে চিঠিতে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং দুই বিধায়ককেও ইমেল মারফত দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, গত ২৬ মে বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন ঋতব্রত-সন্দীপন। এদিন অধ্যক্ষের ঘরের সামনে দেখা যায় এন্টালির তৃণমূল বিধায়ক সন্দীপন সাহা ও উলুবেড়িয়া পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আর সেখানেই ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
সই বিতর্ক নিয়ে আজ সোমবারেই নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সাংবাদিক সম্মেলনে তৃণমূল কংগ্রেসকে কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, 'ষ"বিজেপি সরকারে সই চোরেরা ছাড় পাবেন না। আমাদের সরকার আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করেছে। রাজ্যবাসীর সঙ্গে সঙ্গে দলের বিধায়কদের সঙ্গেও প্রতারণা করে এঁরা। এঁরা সব প্রতিষ্ঠিত চোর। একজনের সই অন্যজন করতে পারেন না। সন্দীপন সাহা এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় লিখিত অভিযোগ করেছিলেন, তাঁদের সই জাল হয়েছে। তার ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়। যাঁরা তদন্তে সহযোগিতা করবেন না। তাঁরা ছাড় পাবেন না। আঞ্চলিক দলের সাধারণ সম্পাদককে হাজিরার নোটিস দেয় সিআইডি। তিনি আজ হাজিরা দেননি।"
এদিন মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, "পুরো দলটাই দুর্নীতিগ্রস্ত। দলটা এ বার উঠে যাবে। ভোটের আগে প্রার্থী পালাচ্ছে। কেউ তৃণমূলের জন্য রাস্তায় নামবে না। সব চোরেদের পাঠশালা, কালীঘাটের টালির চালা।"
এর কিছুক্ষণ পরেই দুই বিধায়ককে বহিষ্কার করা হয়। খবর প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে তোলপাড়।

No comments:
Post a Comment