দক্ষিণ ২৪ পরগনা: শওকত মোল্লার ছেলে ইমরান মোল্লার ক্যাফেতে চলল বুলডোজার। অবৈধ ভাবে বিলাসবহুল এই ক্যাফে তৈরির অভিযোগ উঠেছিল। এবার সেটাই ভাঙার প্রক্রিয়া শুরু করল পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ক্যানিংয়ের মৌখালিতে ক্যাফে ভাঙার কাজ শুরু করেছে প্রশাসন। মাতলা নদীর চর দখল করে অবৈধভাবে এই ক্যাফে নির্মাণ করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। আগেই ক্যাফেটি ভাঙার নোটিশ দিয়েছিলেন মহকুমাশাসক। আজ ভাঙার প্রক্রিয়া শুরু করা হল। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
ক্যানিং পূর্বের প্রাক্তন বিধায়ক শওকত মোল্লার ছেলে ইমরান মোল্লা। অভিযোগ, মৌখালি সেতু সংলগ্ন এলাকায় মাতলা নদীর চর দখল করে তিনি গড়ে তুলেছিলেন এই ক্যাফে। বাবা বিধায়ক থাকাকালীন প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নিয়মবহির্ভূতভাবে এই ব্যবসা চলছিল। তবে ভাঙড় বিস্ফোরণকাণ্ডে এনআইএ-র হাতে শওকত মোল্লা গ্রেফতারের পরই নজরে আসে এই অবৈধ ক্যাফেটেরিয়ার বিষয়টি।
অভিযোগ ওঠে, সেচ দফতরের জমি দখল করে কোনও প্রকার বৈধ নথিপত্র ছাড়াই এই নির্মাণ কাজ করা হয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হতেই প্রশাসন ইমরান মোল্লাকে নথিপত্র সহ মহকুমাশাসকের দফতরে তলব করে। কাগজপত্র যাচাইয়ের পর ক্যাফেটি সম্পূর্ণ অবৈধ বলে প্রমাণিত হয় এবং মহকুমাশাসক তা ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেন।
এরপর এদিন সকালেই এই আলিসান ক্যাফে ভাঙার প্রক্রিয়া শুরু করল প্রশাসন। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এলাকায় বিশাল পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছেন ক্যানিং মহকুমার পুলিশ আধিকারিক ও জীবনতলা থানার পুলিশ আধিকারিকরা। যদিও কোনও উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়নি বরং প্রশাসনের এই কঠোর পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সাধারণ মানুষের একাংশ।

No comments:
Post a Comment