কলকাতা: পুরনো-নতুন থেকে আসল-নকল দ্বন্দ্ব তৃণমূলে। বিধানসভায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রাই পেয়েছেন বিরোধী দলের তকমা। এদিকে মমতার তৃণমূলও হাল ছাড়ার নয়। এই নিয়ে প্রায় রোজই চলছে বাক্যবাণের আদান-প্রদান। প্রতীক নিয়েও টানাটানি চলছে। একুশে জুলাই নিয়েও দড়ি টানাটানি। এবার তৃণমূলের অধিকার নিয়ে মমতা এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়- দুই পক্ষকেই নোটিশ দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। এই নিয়েই শুরু হয়েছে নতুন চর্চা।
কমিশন লিখিতভাবে জানিয়েছেন, কেন প্রকৃত তৃণমূল কংগ্রেসের মান্যতা দেওয়া হবে সেই প্রসঙ্গে নিজেদের সমর্থনে তথ্য দিয়ে নোটিশের জবাব দিতে হবে। ৬ জুলাই, আগামী সোমবার, বিকেল সাড়ে পাঁচটার মধ্যে দুই পক্ষকেই নোটিশের জবাব জমা দিতে হবে দুই পক্ষকেই।
অন্যদিকে সাম্প্রতিক, কালে তৃণমূলের ন্যাশনাল ওয়ার্কিং কমিটি নিয়েও জট ক্রমেই বেড়েছে। প্রশ্ন উঠেছে বৈধতা নিয়ে। এই আবহে ঋতব্রত শিবিরের বক্তব্য, ২০২৫ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে পুরনো ওয়ার্কিং কমিটির মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। তারপর আর কোনও অভ্যন্তরীণ নির্বাচন হয়নি। অপরদিকে মমতা-শিবিরের বক্তব্য, ২০২৬ এর ফেব্রুয়ারি মাসে তাঁরা কমিটির তালিকা পাঠিয়ে দিয়েছেন। ফলে বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন থাকার কথা নয়। এখন এর মূলেই যেতে চাইছে কমিশন।
এদিকে নির্বাচন কমিশনের নিয়ম বলছে, প্রতিটা রাজনৈতিক দলকে একজন ব্যক্তিকে রাখতে হয় যিনি কমিশনের সঙ্গে দলের হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কথা বলেন। যিনি দলের বিষয়ে সিদ্ধান্তের কথাও জানাতে পারেন, একইসঙ্গে যার সাক্ষর নির্বাচন কমিশনে বৈধ হিসাবে গণ্য হবে। এই জটিলতার আবহে তৃণমূলের তরফে সেই অধিকার কার কাছে থাকছে তা নিয়েও চলছে চাপানউতোর। অন্যদিকে মমতার তৃণমূল সূত্রে খবর, এতদিন সাংগঠনিক ক্ষেত্রে এই স্বাক্ষর করতেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করতেন প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে।

No comments:
Post a Comment